শিরোনাম :
সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আপনাকে স্বাগতম। # সারাবিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পড়তে আমাদের সঙ্গেই থাকুন। -ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
সীমান্ত দিয়ে ৩৪জন নাগরিককে বিএসএফের ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা; বিজিবি-বিএসএফ মুখোমুখি চরম উত্তেজনা নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল র‍্যাবের অভিযানে চাঞ্চল্যকর ৫বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান অভিযুক্ত গ্রেফতার মোবাইল কোর্টের যৌথ অভিযান ৩টি আইনে ৩টি মামলায় জরিমানা ও কারাদণ্ড লালমনিরহাট যুবদলের আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হাতীবান্ধায় বজ্রপাতে গৃহবধূর আকস্মিক মৃত্যুতে প্রশাসনের শোক ও গভীর সমবেদনা মোগলহাট স্থলবন্দর পুনঃচালুর উদ্যোগ নিতে চাইছে সরকার চলে গেলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী সুনীল চন্দ্র রায় সহযোগী অধ্যাপক (অবঃ) রেজাউল করিম রেজা-এঁর ইন্তেকাল উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে মোবাইল কোর্টের অভিযানে ৩টি ক্লিনিকের জরিমানা

গরু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা!

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের তালুক দুলালী গ্রামের বাসিন্দা গরু ব্যবসায়ী কামাল হোসেন। তিনি বছরখানেক আগে একই গ্রামের হাফিজুল ইসলাম (২৭) কে থাপ্পড় দেন। সেই থাপ্পড়ের প্রতিশোধ নিতে বুধবার (১১ জুন) বিকেলে কামালকে ঘুমন্ত অবস্থায় কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন হাফিজুল ইসলাম।

 

কামাল হোসেন হত্যার ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১২ জুন) তাঁর স্ত্রী মোছাঃ শিউলি বেগমের করা মামলায় এমন অভিযোগ করা হয়েছে। লালমনিরহাটের আদিতমারী থানায় করা হত্যা মামলায় হাফিজুল ইসলামসহ ৫জনকে আসামি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে আয়শা খাতুন (৫৫) ও আবদুল কুদ্দুস (৬০) নামের দুই আসামিকে বুধবার (১১ জুন) রাতে গ্রেফতার করে পুলিশ। আবদুল কুদ্দুস ও আয়শা খাতুন প্রধান আসামি হাফিজুল ইসলামের বাবা ও মা।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, বছরখানেক আগে হাফিজুল ইসলাম (২৭) ভেলাবাড়ীর ফারুক মিয়াকে মারধর করেন। এ সময় কামাল হোসেন (৪০) মারামারি থামিয়ে হাফিজুল ইসলামকে থাপ্পড় মেরে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। থাপ্পড় মারার কারণে আসামিরা কামাল হোসেনের ক্ষতি করার জন্য সুযোগ খুঁজতে থাকেন। গতকাল বেলা সাড়ে ৩টার দিকে কামাল নিজ বসত বাড়ি সংলগ্ন বাঁশঝাড়ের নিচে কাঠের তৈরি বেঞ্চের ওপর ঘুমিয়ে ছিলেন। এ সময় অন্য আসামিদের পরামর্শ ও সহযোগিতায় হাফিজুল ইসলাম কুড়াল নিয়ে কামালের মাথায় আঘাত করেন। এ সময় কামালের আর্তচিৎকারে লোকজন এগিয়ে আসতে থাকলে হাফিজুল ইসলাম দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক কামালকে মৃত ঘোষণা করেন।

 

কামাল হোসেনের স্ত্রী শিউলি বেগম বলেন, আমার স্বামী না হয় একটা থাপ্পড় দিছিল, সেই জন্য কি প্রতিশোধ নিতে তাকে এভাবে খুন করতে হবে? আমি এর বিচার চাই, আসামির ফাঁসি চাই।

 

আদিতমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আলী আকবর বলেন, এজাহারনামীয় দুই আসামিকে গ্রেফতারের পর আজ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
Design & Developed by Freelancer Zone